Saturday, May 1, 2021

 Thakurgaon Clothes And Food Bank

--------------------------------------------------------


Founder : Md Yeamun Hasan Soumick




আমাদের  উদ্যোগ

"মৌলিক অধিকার" খুব পরিচিত ২ টি শব্দ আমাদের জীবনে।শুধু যে পরিচিত তাই নয়, আমাদের জীবনের সাথে অতোপ্রত ভাবে জড়িত।সুষ্ঠু রাষ্ট্র পরিচালনার মূল ভিত্তিই হল মৌলিক অধিকার। মানুষের মৌলিক চাহিদা প্রধানত ৫টি। যথা খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান,শিক্ষা ও চিকিৎসা। তবে অনেকের মতে নিরাপত্তা ও ইন্টারনেটও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত।

আমরা একটু লক্ষ্য করলেই উপলব্ধি করতে পারব, আমাদের জীবন মূলত খাদ্য,বস্ত্র ও বাসস্থান এই তিনটিকে কেন্দ্র করে বংশপরাক্রমে চলতে থাকে এবং আমাদের মুক্তিযুদ্ধেরও অন্যতম লক্ষ্য ছিল মানুষের এই পাঁচটি মৌলিক চাহিদা পূরণ। তবে 'পেটে ভাত পরনে কাপড়’—এই দুটোরই অভাব ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত প্রায় শূন্য অর্থনীতির সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে।

আজ স্বাধীনতার পর ৫০ বছরে মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে বিল্পব ঘটে গেছে।অতীতে আমাদের পরিধানের বস্ত্রের দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার সামর্থ্য ও চিন্তা কোনোটাই ছিল না পরিবারের। আমাদের পূর্বপুরুষের চোখে এখনো ভাসে ওই সময়ের কথা। অধিকাংশ ঘরই ছিল ছনের,ক্ষেত্রবিশেষ চারদিকে মাটির দেওয়াল, আর ছনের চাল। দুবেলা-দুমুঠো খাবারের জন্য নিদারুণ কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে তাদের । শিলা, অনাবৃষ্টি, অতিবৃষ্টি, বন্যা-মঙ্গাসহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে ধানের ফলন তেমন না হওয়ায় কত দিন অনাহারে কেটেছে তাদের জীবন।
১৯৭৩-৭৪ সালে বাংলাদেশের সাড়ে ৮২ শতাংশই মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করত। হতদরিদ্রের হার ছিল ৪৮ শতাংশ। বর্তমানে এ হার সাড়ে ২০ শতাংশে নেমে এসেছে।

এখন টিনের ঘর এবং ইট-পাথরের দালানের নিচে চাপা পড়েছে সেদিনের ছনের ঘরগুলো। সেই ঘরগুলো এখন দালানে রূপ নিয়েছে। খাদ্য উৎপাদনে বিপ্লবসাধিত হওয়ায় আর দুর্ভিক্ষ দেখতে হয়নি আমাদের । আর ইচ্ছা হলেই কিনতে পারছি একটি ভালো পোশাক।

সুতরাং বলতেই পারি,মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে বড় ধরনের ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। খাদ্য, জীবনমান, জাতীয় মাথাপিছু আয়ের ওপর এর প্রতিফলন ঘটেছে। প্রাপ্যতা বেড়েছে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে। এখন গড় আয়ু বেড়ে ৭২ বছরে উঠেছে। এটি উন্নত দেশের সমান।পাশাপাশি শিক্ষায় এসেছে আমূল পরিবর্তন,মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সাক্ষরতার হার ১৬ দশমিক ৮ থেকে ৭৪ দশমিক ৭ শতাংশে।স্বাধীনতার পর দেশে চাল উৎপাদন হয় মাত্র ১ কোটি মেট্রিক টন। সেটা চাহিদার তুলনায় কম হওয়ায় অভাব ছিল তীব্র। এখন সে পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসেছে আমরা। গেল অর্থবছরে চাল উৎপাদন হয়েছে। যা সেই সময়ে সাড়ে সাত কোটি জনসংখ্যা এখন দ্বিগুণের কিছুটা বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি চালের উৎপাদন বেড়েছে তিনগুণেরও বেশি।পোশাক শিল্পে রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়।বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৮০০ কোটি মিটার কাপড় প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ ১৭ কোটি মানুষ প্রতিবছর ৩০–৩৫ মিটার কাপড় ব্যবহার করে থাকেন।তবে এ চাহিদা মিটিয়েও রপ্তানিতে আমরা ২য়। 
অনুন্নত দেশ থেকে আজ আমরা উন্নয়নশীল।তবে এত কিছুর পরেও চারদিকে এত হাহাকার এত আর্তনাদ কেন? 

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর ২০১৯ সালের সর্বশেষ তথ্য মতে, বাংলাদেশের দারিদ্র্য হার ২০.৫ এবং হত দারিদ্র্য হার ১০.৫। আর আমেরিকার,কানাডা,অস্ট্রেলিয়া,রাশিয়া,সৌদি আরব,ডুবাই দারিদ্র্যতার হার যথাক্রমে ৯.২,১৩,১৩.৬,৯.২,১২.৯,১৯।
সুতরাং যদি উন্নত দেশের সাথে তুলনা করি তাহলে পার্থক্যটা কিন্তু খুব না।তবে কেন আমাদের চারপাশে এত দারিদ্র্যতা?

 এই পরিস্থিতির অন্যতম কারণ হল সম্পদের অসম বন্টন ও গরীবদের প্রতি ধনীদের হীনমন্য দৃষ্টি। এই তো করোনা পরিস্থিতির দিকে লক্ষ্য করলেই বুঝতে পারি আমরা সমাজের নির্মম বাস্তবতা, এই লকডাউনে এক পক্ষ তিন বেলা খাবার দুশ্চিন্তায় জীবন বাজি রেখে রাস্তায় নামতে বাধ্য,অন্য পক্ষ দুই তিন মাসের খাবার মজুদ করতে,ঈদের নতুন জামা কিনতে ও বিভিন্ন পিকনিক স্পট ঘুরতে ব্যস্ত।অথচ ভ্রমণবিলাস অথবা তিন মাসের খাবার কিনে বাসায় ফেরার পথে রিকশাওয়ালাকে ৫-১০ টাকার জন্য গায়ে হাত তুলতেও আমরা দ্বিধাবোধ করি না। আর সবচেয়ে মজার বিষয় হল তিন মাসের মজুদ করা এক মাসেই গলা ভর্তি করে খেয়ে,ঘুমাই শেষ করে,শরীরের ওজন বাড়ায় ফেলবার পরে এই সিদ্ধান্ত নেই যে রিকশা আর ব্যবহার করব না, একটু ওজনও কমবে আর দশ দশে বিশ টাকাও বাঁচবে! আর এই ভেবে মনে মনে নিজেকে বাহবা দেই।আর যদি সেই মজুদকৃত খাবার এক মাসেও শেষ করতে না পারি,তারপর তাকাই দেখি খাবার গুলোই নিজেদের শেষ করে ফেলেছে(পঁচে গেছে), নিজেদের আপন সবজি,গোশত,ফলমূলদের হারিয়ে।ছোট বেলা থেকে একই বাগানে বড় হয়েছে তারা,কেমনে একা একা বেঁচে থাকবে আপনিই বলেন।

জাগ গে রসিকতা বাদ দিয়ে,এখন মূল কথায় আসি আর্থ-সামাজিক দিক দিয়ে গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ বহুদূর এগিয়েছে ঠিকই, কিন্তু পুরোপুরি ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত হওয়ার লড়াই শেষ হয়নি আজও। অথচ এই দেশেই প্রতি বছর এক কোটি টনের বেশি খাবার অপচয় হচ্ছে। আর এর জন্য দায়ী আমি এবং আপনি।বিয়ে বাড়িতে দুইশ লোককে দাওয়াত দিয়ে আয়োজন করি আড়াইশ জনের, সম্মানহানী হবার ভয়ে। পরে বাঁচে যাওয়া খাবার ফেলে দেওয়া ছাড়া উপায় থাকে না।

কাগজ কলমে আমাদের সবার সবার বস্ত্রের চাহিদা পূরণ করে রপ্তানিতে দ্বিতীয় হলেও আজকেও আমাদের গ্রামবাংলার মা বোনরা পুকুরপাড়ে যে শাড়ি পড়ে গোসল করে রোদে দাঁড়িয়ে চুলের সাথে সেই শাড়িই শুকিয়ে তারপর বাসায় ফিরে যায় কাপড়ের অভাবে।আর আমরা পূজো ও ঈদের প্রথম দিনের জন্য একটা, দ্বিতীয় দিনের আরেক টা, তৃতীয় দিনে আরও একটা। কারো কারো হিসাব টা সপ্তম দিন পর্যন্তও চলে যায়। এছাড়াও বছরের অন্যান্য দিনগুলো তো কেনাকাটা আছেই, সেগুলো না হয় বাদেই দিলাম। তারপর বিয়ের কনের জন্য শুধুমাত্র বিয়ের দিনে পড়ার কাপড়ের জন্য আমাদের অনেকে ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকারও বেশি খরচ করে থাকি।

এখন অনেকে বলবে যে যার টাকা আছে সে খরচ করবে না নিজেরদের খুশির জন্য(আসলে খুশি না শো অফ জাগ গে)? তাদের উদ্দেশ্যে শুধু এইটুকুই বলব ভোগে নয়, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ। যদি প্রকৃত সুখ পেতে চান তাহলে, সুখ গুলো ভাগাভাগি করে নিয়ে দেখুন একবার।

তবে এসুন সুখ গুলো একটু ভাগাভাগি করে নেই। জনসংখ্যায় বিশ্বে অষ্টম বৃহত্তম দেশ বাংলাদেশ, যদিও আয়তনে বিশ্বে ৯৪ তম।তার মাঝে ঠাকুরগাঁও আরও ছোট একটা জেলা।তবে এসুন সুখ গুলো একটু ভাগাভাগি করে নেই। জনসংখ্যায় বিশ্বে অষ্টম বৃহত্তম দেশ বাংলাদেশ, যদিও আয়তনে বিশ্বে ৯৪ তম।তার মাঝে ঠাকুরগাঁও আরও ছোট একটা জেলা। আয়তনে ১৬৯২৬৬.৭ একর/ ৬৮৫ বর্গ কিলোমিটারমোট জনসংখ্যা- ৫৮১২২৭ জন (আদমশুমারী ২০১১)জনসংখ্যার ঘনত্ব - ৮৮৭ জন (প্রতি কি.মি.)।আমরা চাইলেই পারি ঠাকুরগাঁওকে দারিদ্র্যমুক্ত জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে। বর্তমানে ঠাকুরগাঁও এর দারিদ্র্যতার হার ২৩.৪।ইন শাহ আল্লাহ একদিন সংখ্যাটা শূন্য হবে এই লক্ষ্য নিয়েই যাত্রা শুরু করছি "Thakurgaon Clothes & Food Bank" এর। আপনারা আপনাদের পুরাতন জামা,অব্যবহৃত জামা এবং বেঁচে যাওয়া খাবার আমাদের দিতে পারেন,আমরা যথাযথ ভাবে দরিদ্রের কাছে পৌঁছে দিব।এছাড়াও আপনারা আপনার সার্মথ্য অনুযায়ী যে কেনো ভাবে আমাদের এই যাত্রায় অংশ নিতে পারেন। ধন্যবাদ।


Our MOTTO - - - -



There are a lot of people and families in Bangladesh, who can't afford their living. We want to help them. We want to provide them Clothes And Food. 

How We Will Do It - - - -

We will collect clothes from people who want to donate clothes. And we will distribute those clothes between the people who really need it. We will also do activities on distributing food. You can also help us achieve this goal.




Contact - - - - - - - 
Phone : +8801797678198
Whatsapp : 01797678198




Your Childhood Clothes Or the clothes you don't wear, Can be the dream of someone. You can get in contact with us by the information given above and help us achieve this goal.